কবিতা

অনুক্রম
সাহসিনী
তারা

সাহসিনী

দুয়ারে তার বৃষ্টি হাসে, মেঘের শবে আদর দিয়ে,
কেউ বোঝেনি স্রোতস্বিনী- তার ঠোঁটেতে শহর ভাসে।
নগ্নরূপী সপ্নবেশী ফিনিক্স বাসা তার শরীরে,
তার নূপুরধ্বনি আজান হয়ে শান্তি ফেরায় ত্রাণশিবিরে।

মত্ত কবি সত্যি লেখে, মিথ্যে বাণীর চাদর গায়ে,
ছদ্দবেশী কিজ-কুলেসি গল্প বোনে মুখ লুকিয়ে।
মৃত্যু কোলে প্রেমিক হাসে, সাক্ষী শুধু গালাতা চোখ,
লুকোচুরি ক্লান্ত হলে তার মাথাতে রাজ্পালক।

2
ভিড়ের যদি পেখম গজায় হুলুস্থুল রাজপ্রাসাদ,
তোমার জন্য নোনতা ধরা বিকেলগুলোয় গুলির দাগ।
আমার মতো উপগ্রহ ছায়ার খেলায় মত্ত যে,
লাল শরীরে প্রেমও জাগে স্রোতের বাঁধন ভাঙ্গলে সে।

যুবতী, তুমি ভেঙেও গড়ো মাতাল যেমন চাঁদকে সয়,
আগুন পোড়া মোমবাতিরাও আতর মেখেই বাঁচতে চায়।
নখের আঁচড় সামলে রেখো, সরীসৃপে ভর্তি দেশ,
ঘুমিয়ে থাকা গুপ্তধন আর বস্তি পরুক তোমার বেশ।

বিঃদ্রঃ: কবিতার প্রথম আট লাইন ইস্তানবুল থেকে নিউইয়র্ক আসার সময় বিমানে লেখা। আর শেষ আট লাইন ইথাকতে এক ছুটির মরশুমের সকালে লেখা।

তারা
এখানে তারা আলো জ্বেলে থাকে,
ক্লান্ত শ্রমিক ঘর খুঁজে পায়।
সাক্ষী থাকে অমল খিলান-
পরক ভূতলে বাসর সাজায়।

ঘনীভূত প্রেম, শূন্যতা ভরে-
নাড়ির টানেও আস্কারা সায়।
তুচ্ছ জীবনে মূর্ছা বিলাস,
স্মৃতিরা বাঁচুক গানের তোড়ায়।

বিঃদ্রঃ: নিউইয়র্কে বন্ধুর বিবাহের শুভকামনা জানাতে লেখা (জুলাই ১২, ২০২৪)