গবেষণার গল্পকথা     

পড়ন্ত এক বিকেলবেলায় আমি দাঁড়িয়ে আছি ইতালির ত্রিয়েস্ত বিমানবন্দরে একটা উড়োজাহাজের ভেতর বসার জন্য আর নিজেকে কিছুটা পরিযায়ী পাখিদের মতো মনে হচ্ছে। পরিযায়ী পাখিরা যেমন খাবারের সন্ধানে আর প্রতিকূল আবহাওয়া থেকে বাঁচতে কয়েক হাজার মাইল পাড়ি দেয়, গবেষণার তাগিদে আমরাও এক দেশ থেকে অন্য দেশে বাসা বাঁধি। আমার প্রথম গন্তব্য লন্ডন স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরে আর তারপর সেখান থেকে রেলগাড়ির সওয়ারি হয়ে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত ফিৎজউইলিয়াম কলেজের ছাত্রাবাসে। যে কোনো নতুন দেশে পা রাখার আগে যতটা মনে রোমাঞ্চ জাগে, আমি তার চেয়ে একটু বেশি ভীত আর অভিভূত। আগামী চার মাস এই ছাত্রাবাসে আমার থাকার কথা, তাই দুটো লটবহরে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ঠেসে-ঠুসে ভর্তি করে আগে থেকেই আমি এয়ারলাইন্স কোম্পানির কাউন্টারে জমা করে এসেছি। মোটামুটিভাবে আর চার ঘন্টা পর পৌঁছে যাবো এমন একটা শহরে যেখানে সারা বছর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে অগুন্তি গবেষক জমা হন জ্ঞান আরোহন-নিবেদনের জন্য। 

৫-ই মে, ২০১৮। সন্ধের পর আমি পৌঁছালাম ফিৎজউইলিয়াম কলেজের ছাত্রাবাসে। টাইম মেশিন ব্যবহার করে প্রায় নিরানব্বই বছর আগে ফিরে যেতে পারলে আমার হয়তো দেখা হতো নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর সাথে, কারণ ১৯১৯ সাল থেকে ১৯২১ সাল পর্যন্ত তিনি ফিৎজউইলিয়াম কলেজে মোরাল আর মেন্টাল সায়েন্স নিয়ে পড়াশুনো করেছিলেন। কিছু শহর প্রথম দেখায় ভালো লেগে যায় আর মনে হয় শহরের আত্মার সাথে আমার আত্মার এক নিবিড় সখ্য গড়ে উঠেছে। রিভার ক্যামকে আগলে রাখা এই শহরে ১২০৯ সালে গড়ে উঠা কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে পা রেখে আমার ঠিক তেমনই অনুভূতি হচ্ছিলো। 

তখন আমি ইতালির ত্রিয়েস্ত শহরে জ্যোতিপদার্থবিদ্যা আর ব্রহ্মাণ্ডতত্ত্বর কিছু বিষয়ের উপর আমি গবেষণা করছি। ইউরোপের প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত পিএইচ.ডি. করার সময় অন্য আর একটা প্রতিষ্ঠানে একটানা কয়েক মাসের জন্য গবেষণা করার সুযোগ থাকে। অল্প কিছু ছাত্রবৃত্তি দেওয়া হয় ভ্রমণ আর থাকা-খাওয়ার খরচ বহন করার জন্য। পি.এইচ.ডি ছাত্রাবস্থার তৃতীয় বর্ষে গবেষণার বিষয়ে আলোচনা করার সময় কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তখনকার দুই পোস্টডক গিরিশ কুলকার্নি, ড্যান মীরবার্গ, আর প্রফেসর এন্টনি চালিনরের সাথে আমার যোগাযোগ গড়ে ওঠে। আমরা সবাই মিলে একটা নতুন প্রজেক্টে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিলাম আর ঠিক হলো আমি চার মাসের জন্য ওখানে “ভিসিটিং স্টুডেন্ট” হিসেবে গবেষণা করবো।  

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য বেশ কয়েকটি অনুষদ ভবন আছে, তাদের মধ্যে তিনটে অনুষদ ভবন একে অপরের সাথে সংযুক্ত – ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোনমি, কাভলি ইনস্টিউট ফর কসমোলজি, আর ক্যাভেন্ডিশ ল্যাবরেটরি। আমার অফিস ছিল কাভলি ইনস্টিটিউট ফর কসমোলজি ভবনের নিচ তলায়। প্রথম দিন আমি সকাল আটটার দিকে আমার অফিস পৌছে দেখি আমার ডেস্কে একটা বড় ফাইল রাখা যার ভেতরে মূলত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সুযোগ সুবিধে ও নিয়মাবলীর সম্পর্কে লেখা রয়েছে।পড়তে পড়তে জানতে পারলাম একটা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার জন্য পরিকাঠামো আর প্রশাসনিক কাজগুলো কতটা ছাত্রবান্ধব করে রেখেছে। 

সকাল ৯-টার দিকে প্রফেসর এন্টনি চালিনর আমার অফিসে এসে কুশল বিনিময় করার পর বললেন, “তুমি কফি খাবে?” ওনার সাথে কথোপকথনের সময় আমি বুঝলাম ব্রিটিশ অ্যাকসেন্ট আমার পুরোপুরি বোধগম্য হচ্ছে না আর আমি একেবারে মেদিনীপুরের গ্রাম্য কথার টানে যেভাবে ইংরেজি বলছি তা অনেক সময় ওনার বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে। তাই আমি বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর “হ্যাঁ” বা “না”, এই দুই মহা-মূল্যবান শব্দ ব্যবহার করে দেওয়া শুরু করেছি। আমি মুখে অল্প হাসি নিয়ে বললাম, “হ্যাঁ”। এই কথা বলার পর আমি ওনাকে অনুসরণ করতে থাকলাম আর দেখলাম উনি প্রতিষ্ঠানের এক কোনে একটা রান্নাঘরে মধ্যে ঢুকলেন। ওই রান্না ঘরে থালা-বাসন, ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ, সবকিছু রাখা। উনি ওই রান্নাঘরের ভেতরে এসে একটা পুরোনো ধুলো পড়া কফি কাপ মাজতে লাগলেন। আমি শুধু অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে আছি। 

ভেতরে যা ভাবছি আর বলতে চাইছি তা “হ্যাঁ” বা “না” দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাই আমি শব্দহীন। উনি তারপর কফি কাপটি আমার হাতে দিয়ে বললেন, “তুমি হয়তো কাল-পরশু সব অফিসিয়াল কাগজপত্র তৈরী হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানের লোগো দেওয়া কফি কাপ পেয়ে যাবে। এই কাপটি বরং ততদিন ব্যবহার করতে থাকো”।  

ব্রহ্মান্ডতত্ত্বের যে বিষয়ে আমি এক নিতান্ত গড়পড়তা ছাত্র হিসেবে গবেষণা করার চেষ্টা করছি, সেই বিষয়ে প্রফেসর এন্টনি চালিনরের জগৎজোড়া খ্যাতি। উল্লেখ করে রাখা ভালো যে প্রফেসর এন্টনি চালিনর তখন ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোনমি আর কাভলি ইনস্টিউট ফর কসমোলজি- এই দুটো প্রতিষ্ঠানে গবেষণার সাথে সাথে “সহকারী অধিকর্তা” হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্রহ্মাণ্ডতত্ত্বের বিভিন্ন বিষয়ে ওনার অনেকগুলো যুগান্তকারী গবেষণাপত্র আছে- যা পড়ে আমি ব্রহ্মাণ্ডতত্ত্বের “অআকখ” শিখেছি। আমি কখনো বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন, স্যার আইজাক নিউটন বা ম্যাডাম মেরি কুরিকে নিজের চোখে সামনাসামনি দেখিনি। প্রফেসর এন্টনি চালিনরের মতো বিজ্ঞানীরাই তাই আমার কাছে “রোল মডেল”। যখন দেখি এমন গুণী মানুষেরা আমার মতো এক সাধারণ ছাত্রের সাথে এমন ব্যবহার করেন, আমি বিজ্ঞান ছাড়াও আরো অনেককিছু শিখতে পারি, যেমন অসম্ভব মেধা নিয়ে সফলতার শিখরে পৌঁছে যাওয়ার পরও কিভাবে মাটিতে পা রেখে চলতে হয়। 

কাভলি ইনস্টিউট ফর কসমোলজি প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করার জন্য যখন কেউ কয়েক মাসের জন্য আসেন, তাদের প্রতিষ্ঠানটির চারপাশ ঘুরিয়ে দেখানো হয় আর বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কে কিছু ঐতিহাসিক তথ্য দেওয়া হয়। আমাকে একজন প্রায় ষাটোর্দ্ধ ভদ্রমহিলা চারপাশ ঘুরিয়ে দেখাচ্ছেন আর আমিও সল্প কথায় কথোপকথন চালিয়ে যাচ্ছি। উনি আমাকে ইনস্টিটিউট অফ অস্ট্রোনমির শুরুর দিকের গল্প, প্রফেসর ফ্রেড হোয়েল আর স্যার আর্থার এডিংটনের কথা বলছেন। তারপর একটু থেমে বললেন, “এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা; প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন সকাল ১১-টা আর বিকেল ৩:৩০-টা থেকে ৩০ মিনিটের জন্য কফি ব্রেক দেওয়া হয় যাতে সবাই ঘরোয়া পরিবেশে একে অপরের সাথে যে কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে পারে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যদি আমরা তোমাকে ভালো কফি, বিস্কুট, আর খাবার দিয়ে খুশি রাখতে পারি তাহলে তোমরা অবশ্যই ভালো গবেষণা করবে।”

প্রতি সোমবার “কসমোলজি লাঞ্চ” আয়োজন করা হতো আর আমাদের সবাইকে মধ্যাহ্নভোজের জন্য প্যাকেট করা খাবার দেওয়া হতো। কোনো এক গবেষক তার গবেষণার সম্পর্কে বলতেন আর আমরা সামনের চেয়ারগুলোতে বসে খেতে খেতে পুরো সেমিনারটা শুনতাম। তারই মাঝে চলতো প্রশ্ন করা আর ওই বিষয়ের উপর আলোচনা। আমি যে গবেষণা দলের সাথে কাজ করতাম তার প্রধান ছিলেন প্রফেসর মার্টিন হাইনেল্ট। উনি আমাদের প্রতি মঙ্গলবার ওই গবেষণা দলের সব সদস্যকে পাশের চার্চিল কলেজের ক্যান্টিনে মধ্যাহ্নভোজের জন্য নিয়ে যেতেন। সব গবেষকের সাথে একই টেবিলে বসে গত এক সপ্তাহে যেসব গবেষণাপত্র প্রকাশ পেয়েছে তাদের সম্পর্কে আটপৌরে আলোচনা হতো। প্রতি বুধবার ইনস্টিটিউট অফ অ্যাস্ট্রোনমিতে কালোকুইয়াম আয়োজিত হতো আর খাবার হিসেবে থাকতো ‘ব্রেড এন্ড চিস’। প্রতি বৃহস্পতিবার কাভলি ইনস্টিউট ফর কসমোলজিতে কোনো এক গবেষক “পিৎজা টক্” দিতেন। আমরা সবাই সেমিনারের ৩০ মিনিট আগে একসাথে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় জড়ো হয়ে পিৎজা খাবার সময় একে অপরের সাথে গল্প করতাম আর তারপর ওই সেমিনারে যোগ দিতাম। একদিন কাজের খুব ব্যস্ততার জন্য আমি ‘পিৎজা টক’ শুনতে যেতে পারিনি। পরে আমার ওখানকার গাইডের সাথে কফি ব্রেকের সময় দেখা হলো, উনি জিজ্ঞেস করলেন, “তোমাকে আজ সেমিনারে দেখলাম না তো? সবকিছু ঠিকঠাক চলছে তো?” আমি আমার না যাওয়ার কারণ বলার পর হাসতে হাসতে বললেন, “ব্যস্ততার কারণে মাঝে মাঝে সেমিনারে যোগ দিতে না পারলে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু যতই ব্যস্ত থাকো না কেন কয়েক ফালি পিৎজা ঘরে নিয়ে আসতে কখনও ভুলে যেওনা।”

প্রতিদিন কফি ব্রেকের সময় প্রথম প্রথম সবার সাথে কথা বলতে লজ্জা পেতাম। যাদের গবেষণাপত্র পড়ে জ্যোতিপদার্থবিদ্যার বিষয়গুলো কিছুটা শেখার চেষ্টা করেছি তাদের সামনে দেখে কথা বলার সাহস পাচ্ছিলাম না। কিন্তু ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস বাড়তে থাকলো যখন বুঝলাম কেউ আমার জ্ঞানপরীক্ষা করছেন না বরং আমি নিজেই নিজেকে বার বার কঠোরভাবে মূল্যায়ন করছি। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার বা নতুন বিষয় নিয়ে গবেষণার জন্য মুক্ত ও আন্তরিক পরিবেশের দরকার হয় আর এই প্রতিষ্ঠানগুলি সেই পরিবেশ বজায় রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে।  

তবে এতসব ভালো মুহূর্তের মধ্যে একটা আফসোসের কাহিনী আছে। আমার সপ্ন ছিল ক্যামব্রিজে এসে প্রফেসর স্টিফেন হকিংকে একবার অন্তত সামনে থেকে দেখার। যেদিন আমার হাতে ইউনাইটেড কিংডমের ভিসা এসে পৌঁছালো সেইদিনই তার সাথে একটা হৃদয়-ভাঙা খবর পেলাম; ছিয়াত্তর বছর বয়সে প্রফেসর স্টিফেন হকিং শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেছেন। আমি তার প্রায় পঞ্চাশ দিন পর ওখানে এসে পৌঁছলাম। এক সপ্তাহ পর সোমবারের “কসমোলজি লাঞ্চ” সেমিনার আর একটা অনুষদ ভবন ড্যা.এ.এম.টি.পি-তে আয়োজিত হয়েছেল। ওই ভবনে যারা প্রথমবার যায় তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ওই ভবনের ভেতর এদিক ওদিক হারিয়ে যায়। আমি সেমিনারের শেষে নিচে নামতে নামতে একটা অফিসার সামনে দাঁড়ালাম, খুব সম্ভবত অফিসের নাম্বার B১.০৭। আমি দরজার সামনে প্রায় কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে থাকলাম কারণ ওটা প্রফেসর হকিংয়ের অফিস ছিল। আমি নিশ্চুপ। আমার জীবনে প্রফেসর হকিংয়ের প্রভাব হয়তো জীবন-মৃত্যুর চৌহদ্দির অনেক উর্দ্ধে। আমি নিশ্চিত ওনাকে সামনে থেকে দেখলেও চোখে বৃষ্টি ঝরতো আর আজ ওনার অনুপস্থিতিতেও সেই একই অনুভূতি হচ্ছে। 

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে এত গল্পকথা ছড়িয়ে আছে যা একটা বই লিখেও হয়তো শেষ করা যাবে না।  গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বাইরে আমার সবচেয়ে পছন্দের জায়গা ছিল “দ্য ঈগল” রেস্টুরেন্ট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিকরা রেস্টুরেন্টের ছাদের নিচে মোমবাতি, লাইটার, আর লিপস্টিক দিয়ে তাদের নাম আর তাদের সৈন্যদলের নাম্বার লিখে যেত। এখনো রেস্টুরেন্টের ছাদ তেমন ভাবে অক্ষত আছে যেখানে তাদের লেখা দেখা যায়। তাছাড়া, বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালের ২৮-এ ফেব্রুয়ারী মধ্যাহ্নভোজের সময় রেস্টুরেন্টের সকল অতিথির সামনে ঘোষণা করেন তিনি ও বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন একসাথে “প্রাণের গোপন রহস্য” উন্মোচন করেছেন। তারা তাদের ডি. এন.এ-এর “ডাবল হেলিক্স” গঠনের আবিষ্কার সম্পর্কে বলেছিলেন। পরে বিজ্ঞানী ওয়াটসন আর ক্রিক একই সাথে ১৯৬২ সালে তাদের এই আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরস্কার পান। 

গবেষণার প্রতিষ্ঠান আমার মতো গবেষকের কাছে মন্দির, মসজিদ কিংবা সিনেগগের মতো কিন্তু তফাৎ হলো সেখানে কোনো সর্বশক্তিমান, সর্ববিরাজমান, অপার জ্ঞানী ভগবানের অস্তিত্ব নেই। সেখানে আমরা আমাদের সল্প সামর্থ্য আর বিজ্ঞানিক যুক্তি দিয়ে অজানাকে জানার নিরন্তর চেষ্টা করে যাই। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠান ঘুরে এলে মহাবিশ্বর সম্পর্কে জানার ক্ষিদে আরো বেড়ে যায়। আমি ক্যামব্রিজ থেকে চলে এসেছি কিন্তু ক্যামব্রিজ আমার ভেতর এখনও থেকে গেছে।

Leave a comment